জীবনের বড় পরীক্ষায় বসেছিল গাজোল থানার বৈরগাছি ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের কৈলাবাদ গ্রামের ছেলে তথা চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সুব্রত মন্ডল(১৭)। সে আলিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। তার পরীক্ষার সিট পড়েছিল চিৎকুল রামকৃষ্ণ বিদ্যানিকেতনে।
জানা গিয়েছে, সাধারণ পরিবারের ছেলে ছিল সুব্রত মণ্ডল। বাবা স্বপন মন্ডল একজন কৃষক। এমন পরিবারে ভাল রেজাল্ট করে বড় চাকরির আশা দেখেছিল সুব্রত। দাদা রাজু গাজোল মহাবিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্র। পরিবারের লোকেদের মুখে জানা যায়, ইংরেজি পরীক্ষা খারাপ হওয়ার পর থেকে হতাশায় ভুগছিল সুব্রত। পরের পরীক্ষগুলি যদিও ভালই দিয়েছিল সে। শনিবার ছিল ভৌত বিজ্ঞান পরীক্ষা। রাতে তার প্রস্তুতিও নেয়। খাওয়া-দাওয়া করে নিজের ঘরে ঘুমতে যায় ওই পরীক্ষার্থী। এদিকে শনিবার সকালে তার ঘর থেকে পড়াশোনার কোনও শব্দ না পেয়ে ঘুম থেকে তুলতে যান মা। ঘরে ঢুকতেই দেখেন ছেলের ঝুলন্ত দেহ। গলায় গামছা জড়ানো। ভৌত বিজ্ঞান বই ও নোট খাতার পাশেই রাখা ছিল ছেলের সুইসাইড নোট। ইংরেজি পরীক্ষা খারাপ হওয়ার কারণে সে আত্মহত্যা করেছে - তা উল্লেখ করা রয়েছে তাতে। এমনকি মৃত সুব্রত তার সহপাঠী টুটু মন্ডলের কাছ থেকে সে ১২০০ টাকা ধার নিয়েছিল। সুইসাইড নোটে উল্লেখ করে সুব্রত লিখেছে,‘বন্ধু টুটু মন্ডলের কাছ থেকে আমি ১২০০ টাকা ধার নিয়েছিলাম। সেই টাকাটা যেন শোধ করা হয়। তা না হলে আমার আত্মা শান্তি পাবে না।’ এই ঘটনার খবর পেয়ে গাজল থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছায় ও মৃতদেহ উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/OfEodpiR6dY